তাঁকে গভীর সাধনার মাধ্যমে জানা যায়। তিনি ছয়টি পথের ঊর্ধ্বে, সবকিছুর সীমা অতিক্রম করেছেন। তাঁর হৃদয়ে স্বতঃস্ফূর্ত করুণার প্রকাশ—তিনি দয়া ও মমতার জীবন্ত প্রতিমূর্তি। অজ্ঞানতার অন্ধকার দূর করার জন্য তিনি এক দীপ্তিমান প্রদীপের মতো জ্বলে ওঠেন। শিশু থেকে গোপালক—সবাই তাঁকে চিনে নিতে পারে। তাঁর আদেশ কখনও কেউ অমান্য করতে পারে না। তিনি রাজসম্মানিত শ্রীচক্রে অধিষ্ঠিতা। তিনি মহিমাময়ী ত্রিপুরাসুন্দরী, যাঁর গৌরব সর্বত্র ছড়িয়ে আছে।