তিনি এমন এক মহাশক্তিশালী, যিনি ব্রহ্মাকেও স্থির করতে পারেন, শিবকেও মোহিত করতে সক্ষম, তিনটি লোককেই বশে আনতে পারেন এবং সমস্ত শত্রুদের ধ্বংস করতে পারেন। দেবতাদেরও তিনি তাড়িয়ে দিতে পারেন, ধনঞ্জয়কেও পরাস্ত করতে পারেন; এমনকি যিনি সন্তানহীনা, সেই নারীও তাঁর কৃপায় দ্রুত সন্তান লাভ করেন, আর যে দারিদ্র্যে কষ্ট পাচ্ছে, সে-ও সম্পদ অর্জন করে। যে ব্যক্তি এই সহস্রনাম তিনবার রাত্রিকালে গনেশ ও শিবের সামনে, নিরাবরণ অবস্থায়, শক্তির সঙ্গে একত্রিত হয়ে, ইচ্ছামতো ভোগ-উপভোগের পরে পাঠ করে, হে দেবী, সেই সাধক সর্বশ্রেষ্ঠ। সে ভক্তি সহকারে যখন গনেশের এই সহস্রনাম পাঠ করে, তখন সে স্বয়ং বরদাতা গনেশকে প্রত্যক্ষভাবে দর্শন করতে পারে। তার জন্য ধন-সম্পদ, স্ত্রী, আয়ু ও ঐশ্বর্য সর্বদা বর্তমান থাকে। যুদ্ধক্ষেত্রে, রাজাদের ভয়ে বা জুয়াখেলায়ও যদি সে এই সহস্রনাম পাঠ করে, তবে গনেশের কৃপায় সর্বত্র সে বিজয় লাভ করে। এইভাবেই, এই সহস্রনাম-মন্ত্রই সমস্ত পুণ্যের মূল।