এক সময়ের কথা, যখন সূর্যের রশ্মি পৃথিবীতে আলো ছড়িয়ে দিচ্ছিল। সেই আলো ছিল সোনালী, যা অন্ধকারের মধ্যে দিয়ে পথ দেখাচ্ছিল। একটি কালো সত্তা তার জিহ্বার মাধ্যমে সেই আলোর উজ্জ্বলতা প্রকাশ করেছিল। সেখানে একটি সত্যের পথ ছিল, যা আকাশের নদীকে অতিক্রম করার জন্য প্রস্তুত ছিল। সেই নদী প্রবাহিত হচ্ছিল, আর সেই সময় গায়ক আনন্দের সঙ্গে অশ্বিনদের সাহায্যের কথা গাইছিল, সোমের উল্লাসে মেতে উঠেছিল। ভোরের আলো আসার সাথে সাথে, উজ্জ্বল পোশাকে সজ্জিত অশ্বিনেরা এসেছিল। তারা সত্যের সন্ধানে রাতের অন্ধকারকে অতিক্রম করে এসেছিল। "হে অশ্বিন দয়ালু, তোমরা উভয়েই সোম পান করো এবং আমাদের রক্ষা করো," গায়কের কণ্ঠে এই প্রার্থনা ধ্বনিত হচ্ছিল। অশ্বিনদের জন্য একটি সুগন্ধি সোম প্রস্তুত করা হয়েছিল, যা সত্যের সাথে মিশ্রিত হয়ে তাদের কাছে পৌঁছেছিল। তারা তাদের ত্রিমুখী রথে চড়ে এসে কাঁভাসদের প্রার্থনা শুনছিল। "হে অশ্বিন, তোমরা আমাদের জন্য ধন-সম্পদ নিয়ে এসো," গায়ক তাদের আহ্বান জানাচ্ছিল। "যেখানে তোমরা আছো, সেখান থেকে আমাদের কাছে এসো, সুদৃঢ় ঘোড়ার রথে।" অশ্বিনরা তাদের রথ নিয়ে এসেছিল, যা সর্বদা পূজাকারীদের জন্য ধন নিয়ে আসত। গায়ক তাদের কাছে প্রার্থনা করছিল, "হে অশ্বিন, তোমরা সোম পান করো এবং আমাদের জন্য ধন-সম্পদ আনো।" এদিকে, সকাল বেলা দেবী উষা উজ্জ্বল হয়ে উঠছিল। তিনি আকাশের কন্যা, যিনি দান বর্ষণ করেন। উষা তার রশ্মি দিয়ে পৃথিবীকে আলোকিত করছিল এবং মানুষকে নতুন শক্তি প্রদান করছিল। তাঁর রথে সজ্জিত ঘোড়াগুলি দ্রুত গতিতে চলছিল এবং তিনি সমস্ত জীবজন্তুকে জাগিয়ে তুলছিলেন। কাঁভাসরা উষার নাম গাইছিল এবং তাঁর মহিমা প্রচার করছিল। উষা যখন আকাশে উদিত হচ্ছিল, তখন তিনি সকলকে দান করছিলেন। তিনি পথ খুলে দিচ্ছিলেন এবং অন্ধকারকে দূর করে দিচ্ছিলেন। তাঁর আলোর রশ্মিগুলি পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ছিল এবং তিনি সকলকে দেখাতে সক্ষম হচ্ছিলেন। তিনি ছিলেন সকলের জীবনের শ্বাস এবং আলো, যিনি সকলকে শক্তি দান করছিলেন। এক সময়, সূর্য জ্যোতিষ্ক জাতবেদাস উষার রশ্মির মাধ্যমে পৃথিবীতে আসছিলেন। সেই রশ্মিগুলি রাতের অন্ধকারকে বিদায় জানিয়ে, পৃথিবীর মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছিল। সূর্য, যিনি সর্বদা দেখেন, তিনি সকলের জন্য আলো প্রদান করছিলেন। এভাবে, উষা এবং সূর্যের মধ্যে একটি অদ্ভুত সম্পর্ক গড়ে উঠছিল, যা পৃথিবীর সকল জীবের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছিল। উষা, যিনি সকলকে জাগিয়ে তুলছেন, এবং সূর্য, যিনি সকলকে আলোকিত করছেন, তাদের মহিমা এবং দানের জন্য মানুষ তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছিল।