একদিন, প্রাচীন সময়ে, যখন দেবতারা এবং মানবেরা একসাথে আকাশে এবং পৃথিবীতে বাস করতেন, তখন মারুতদের একটি শক্তিশালী এবং উজ্জ্বল ঝাঁক আমাদের দিকে ধাবিত হচ্ছিল। তারা ছিল শক্তিশালী এবং আনন্দদায়ক, তাদের উপস্থিতি আমাদের চারপাশে আলো ছড়িয়ে দিচ্ছিল। আমরা তাদের সম্মান জানিয়ে বললাম, “হে মারুত, তোমাদের শক্তি আমাদের কাছে আসুক।” তাদের আগমনে, আমরা জানতে চাইলাম, “হে মারুত, তোমরা দূর থেকে যেমন একটি শিখার মতো উজ্জ্বল, তোমাদের উদ্দেশ্য কি? কাকে তোমরা সমর্থন দাও?” তাদের অস্ত্র দৃঢ় হোক, শত্রুদের পরাস্ত করুক এবং আমাদেরকে রক্ষা করুক। তাদের শক্তি যেন মানবের মায়ায় আবদ্ধ না হয়। মারুতরা মুক্তভাবে কাজ করে, তারা পাহাড়ের শীর্ষে এবং বনজঙ্গলে কম্পন সৃষ্টি করে। তারা যেন মদ্যপ দেবতাদের মতো দ্রুত গতিতে এগিয়ে আসে, তাদের সঙ্গে নিয়ে আসে শক্তিশালী ঘোড়া এবং উজ্জ্বল রথ। আমরা প্রার্থনা করলাম, “হে রুদ্র, তোমাদের সাহায্য আমাদের সন্তানদের জন্য প্রয়োজন, যেন তোমরা আমাদের রক্ষা করো।” যাদের বিরুদ্ধে শত্রুরা উঠে দাঁড়ায়, তাদেরকে তোমরা তোমাদের শক্তি দিয়ে বিতাড়িত করো। আমরা জানি, মারুতরা সবসময় কান্বকে রক্ষা করেছে, তাদের সাহায্যে তারা আমাদের জন্য বর্ষণ এবং বিদ্যুৎ হয়ে আসবে। “হে মারুত, তোমাদের শক্তি অপরাজেয়; শত্রুদের বিরুদ্ধে তোমাদের তীর ছুড়ো।” এবার আমরা ব্রহ্মনাসপতিকে ডাকলাম, “উঠো, হে ব্রহ্মনাসপতি, আমাদের মধ্যে আসো।” আমাদের প্রার্থনা যেন দেবতাদের কাছে পৌঁছে, যেন তারা আমাদের ত্যাগ করেন না। যে ব্যক্তি দেবতাদের প্রতি নিবেদিত, তার জন্য সব কিছু সহজ এবং বাধাহীন। আদিত্যদের পথ সত্যের দিকে পরিচালিত করে এবং সেই পথের উপর কোন প্রতিবন্ধকতা নেই। আমাদের প্রার্থনা যেন তাদের কাছে পৌঁছায় এবং আমাদের সকল সম্পদ, ধন, এবং জীবন লাভ হয়। পূষণ, তুমি আমাদের পথ পরিষ্কার করো, বাধা দূর করো। যে কেউ আমাদের ক্ষতি করতে চায়, তাকে দূরে সরিয়ে দাও। তোমার সাহায্যে আমাদের প্র ancestorsদের স্মরণ করবো এবং সকল সাফল্য লাভ করবো। “হে রুদ্র, তোমাদের জন্য আমরা হৃদয়গ্রাহী শব্দ বলি, যেন তোমাদের মহানুভবতা আমাদের উপর বর্ষিত হয়।” এইভাবে, প্রাচীন দেবতাদের প্রতি আমাদের প্রার্থনা এবং শ্রদ্ধা অব্যাহত ছিল, যেন তারা আমাদের রক্ষা করেন এবং আমাদের জীবনকে সমৃদ্ধ করেন।