একটি সময়ের কথা, যখন দেবতারা এবং মানবতা একসাথে জীবনযাপন করত। তখনকার দিনে, মানবতাকে রক্ষার জন্য দেবতাদের সাহায্যের প্রয়োজন ছিল। সেই সময়, গায়ককে অনুরোধ করা হচ্ছিল যেন সে পশুর মতো অশ্রুতিময় না হয় এবং মৃত্যুর পথে না চলে যায়। তারা প্রার্থনা করছিল যে দূরবর্তী বা নিকটবর্তী বিপদ যেন তাদের স্পর্শ না করে এবং দেবতারা তাদেরকে একসাথে জলপথে পরিচালিত করুন। রুদ্রের মতো শক্তিশালী দেবতারা, যাঁরা সমতলে ভয়ঙ্কর এবং শক্তিশালী, বৃষ্টির জন্য বায়ু ছাড়াই বর্ষা আনেন। বজ্রপাতের মতো তারা গরুর মতো গর্জন করে, মাতৃস্বরূপ বৃষ্টি মুক্তি পেলে। যখন মেঘমালা আকাশে গর্জন করে, তখন পৃথিবী কাঁপতে থাকে এবং মানুষ ভীত হয়। মারুতরা, যাঁদের হাতে আছে বায়ুর শক্তি, তারা উজ্জ্বল ও বিস্তৃত আকাশে দ্রুত গতিতে চলতে থাকে। তাঁদের রথের চাকার স্থায়িত্ব এবং ঘোড়ার শক্তি কামনা করা হচ্ছিল, যেন তাঁদের শক্তি এবং সাহায্য সর্বদা মানবতার পাশে থাকে। ব্রহ্মনাসপতি, যিনি প্রাচীনত্বের দেবতা, তাঁর প্রতি নিবেদিত ভাষায় প্রার্থনা করা হচ্ছিল। দেবতাদের উদ্দেশ্যে গাওয়া হচ্ছিল গান, যেন মারুতদের মহৎ ও দীপ্তিময় শক্তি তাদের কাছে এসে পৌঁছায়। মারুতরা, যাঁরা দূর থেকে আগুনের মতো উদ্ভাসিত হন, তাঁদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করা হচ্ছিল, "তোমাদের উদ্দেশ্য কি? কাকে তুমি পছন্দ কর?" তাঁদের শক্তি ও অস্ত্র যেন দৃঢ় হয়, শত্রুকে পরাস্ত করে এবং মানবের প্রতারণার দ্বারা প্রভাবিত না হয়। তাঁরা পাহাড়কে কাঁপিয়ে দেন, বনজ গাছগুলোকে নাড়িয়ে দেন, এবং শত্রুরা তাঁদের কাছে পরাজিত হয়। ব্রহ্মনাসপতির প্রার্থনা এবং দেবতাদের সঙ্গী হিসেবে ইন্দ্রের আবির্ভাব কামনা করা হচ্ছিল। যিনি শক্তির পুত্র, তাঁর কাছে ধন-দৌলত প্রার্থনা করার জন্য মানবেরা আসেন। দেবতাদের কাছে যিনি নিবেদন করেন, তিনি নিশ্চয়ই মহৎ এবং উদার পুরস্কার লাভ করবেন। যিনি দেবতাদের প্রতি নিবেদিত, তাঁর জন্য বিপদ কখনো আসে না। যে শক্তিশালী হাতের মতো দেবতারা মানবতাকে রক্ষা করেন, তিনি সবদিক থেকে অক্ষত ও সমৃদ্ধ হন। বিপদ ও শত্রুদের দূর করে, রাজারা তাঁদের শত্রুদের পরাস্ত করে এবং সমস্যা দূরে সরিয়ে দেয়। আদিত্যদের পথ সহজ এবং বাধাহীন, যেখানে stumbling-এর কোন সম্ভাবনা নেই। মানবেরা, আদিত্যদের সাথে, সঠিক পথে বলিদান নিয়ে এগিয়ে চলছিলেন। যিনি অবাধে এগিয়ে যান, তিনি সব ধন-সম্পদ, সন্তান এবং জীবন লাভ করেন। মিত্র ও আর্যমানের প্রশংসা করার জন্য মানবেরা একত্রিত হন। তারা দেবতাদের বিরুদ্ধে কিছু বলেন না, বরং ভালো চিন্তাভাবনা নিয়ে তাঁদের কাছে আসেন। পূষণ, মুক্তির পুত্র, মানবতার জন্য পথ পরিষ্কার করেন এবং যে কেউ ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে আসে, তাকে দূরে সরিয়ে দেন। এইভাবে, দেবতাদের সাহায্যে মানবতা নিরাপদে ও সমৃদ্ধিতে এগিয়ে চলে।