তাঁরা অপ্রতিরোধ্য শক্তি, সার্বভৌম ক্ষমতা, অসীম সামর্থ্য ও অপূর্ব আকৃতির অধিকারী। পূর্বদিকে, যিনি তীর, ধনুক ও অস্ত্র ধারণ করেন, তিনি যেন আমাকে রক্ষা করেন। দক্ষিণ দিকেও সেই মহিমান্বিত ধনুর্ধারী যেন আমার রক্ষক হন। পশ্চিম দিকেও, যিনি মহাধনুক ও তীর ধারণ করেন, তিনি যেন আমাকে নিরাপদ রাখেন। চৈত্রভানবী নামে পরিচিত মধ্যবর্তী দিকেও তিনি যেন সর্বাঙ্গীন সুরক্ষা দেন। দক্ষিণ-পশ্চিম ও তার মধ্যবর্তী দিকেও, সেই ধনুর্ধারী প্রভু যেন আমাকে রক্ষা করেন। উত্তর-পশ্চিমের মধ্যবর্তী দিকেও, যিনি ধনুক ও তীর ধারণ করেন, তিনি আমার রক্ষক হন। শৈব মধ্যবর্তী দিকেও, সেই ধনুর্ধারী যেন আমাকে রক্ষা করেন। যিনি সকল দুষ্ট আত্মাকে ভীত করেন, তিনি যেন আমার ঊর্ধ্ব দিকের রক্ষক হন। যিনি দুঃখের অন্ধকার দূর করেন সূর্যরূপে, তিনি যেন আমাকে সর্বত্র রক্ষা করেন। যোগীদের মহাপ্রভু, পদ্মধারী, তিনি যেন আমাকে চারদিক থেকে আগলে রাখেন। প্রধান দেবতারা, প্রত্যেকে নিজ নিজ স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়ে, স্বরূপ ধারণ করেন। তাঁদের গলায় শুভ্র মালা, গায়ে সাদা বস্ত্র, উজ্জ্বল কপালে সুন্দর চিহ্ন বিরাজমান। ইন্দ্র ও অন্যান্য মহাশক্তিধর দেবতারা, নিজ নিজ দিক থেকে যেন আমাকে রক্ষা করেন। সর্বশক্তিতে বলীয়ান তাঁরা যেন সর্বদা আমাকে চারদিক থেকে রক্ষা করেন। যাঁরা দীপ্তির মূর্তি, আনন্দের কামনা-বৃক্ষের মতো, তাঁরা যেন আমাকে রক্ষা করেন। তাঁদের সর্বব্যাপী শক্তিতে, পায়ের তলা থেকে মস্তকের শীর্ষ পর্যন্ত তাঁরা যেন আমাদের রক্ষা করেন।