একদিন এক জ্ঞানী চিকিৎসক তাঁর শিষ্যদের ঔষধ ও চিকিৎসার গোপন বিদ্যা বোঝাতে শুরু করলেন। তিনি বললেন, ‘‘যদি কোনো নারীর গর্ভ ফেটে যায়, তাহলে বাদরী পাতার লেপ দিলে শান্তি পাওয়া যায়। আবার লোধ্রা ও তুম্বী ফলের লেপ দিলে গর্ভ শক্ত ও মজবুত হয়। পাঁচ ধরনের পাতার ও মালতী ফুলের পেস্ট দিয়ে তৈরি করা ঘি, সূর্যের আলোয় প্রস্তুত করলে, তা অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ থামায় ও গর্ভের দুর্গন্ধ দূর করে। জপা ফুল, টক জল, জ্যোতিষ্মতী পাতা, দূর্বা, চিত্রক ও চিনি দিয়ে তৈরি ওষুধ খেতে হয়। ধাত্রী, অঞ্জন ও অভয় গুঁড়ো জল দিয়ে খেলে ঋতুসংক্রান্ত রোগ দূর হয়। লক্ষ্মণা দুধ দিয়ে খেলে বা উর্বর সময় নাকে দিলে সন্তান লাভ হয়। অর্ধ আঢাক দুধ, ঘি ও অশ্বগন্ধা সন্তান দেয়; বন্ধ্যা নারী ঘি ও ভ্যোপকেশরা দিয়ে পান করলে পুত্র লাভ করে। কুশ, কাশ, উরুচৃকা, মৃলা ও গোক্ষুরক দিয়ে তৈরি ক্বাথ, দুধ ও চিনি মিশিয়ে গর্ভবতীর পেটে ব্যথা হলে উপকারী। পৃথকভাবে পাথা, আলঙ্গলি, সিংহা, ময়ূর ও কুটজা নাভি, মূত্রথলি ও যোনিতে লাগালে সহজে সন্তান প্রসব হয়। ধাত্রী, অঞ্জন ও অভয় গুঁড়ো জল দিয়ে খেলে ঋতুসংক্রান্ত রোগ দূর হয়; লক্ষ্মণা দুধ দিয়ে খেলে বা উর্বর সময় নাকে দিলে সন্তান লাভ হয়। প্রসবের সময় ধাত্রী, অঞ্জন ও অভয় গুঁড়ো জল দিয়ে খেলে ঋতুসংক্রান্ত রোগ দূর হয়; লক্ষ্মণা দুধ দিয়ে খেলে বা উর্বর সময় নাকে দিলে সন্তান লাভ হয়। অর্ধ আঢাক দুধ, ঘি ও অশ্বগন্ধা সন্তান দেয়; বন্ধ্যা নারী ঘি ও ভ্যোপকেশরা দিয়ে পান করলে পুত্র লাভ করে। কুশ, কাশ, উরুচৃকা, মৃলা ও গোক্ষুরক দিয়ে তৈরি ক্বাথ, দুধ ও চিনি মিশিয়ে গর্ভবতীর পেটে ব্যথা হলে উপকারী। পৃথকভাবে পাথা, আলঙ্গলি, সিংহা, ময়ূর ও কুটজা নাভি, মূত্রথলি ও যোনিতে লাগালে সহজে সন্তান প্রসব হয়। প্রসবের সময় ধাত্রী, অঞ্জন ও অভয় গুঁড়ো জল দিয়ে খেলে ঋতুসংক্রান্ত রোগ দূর হয়; লক্ষ্মণা দুধ দিয়ে খেলে বা উর্বর সময় নাকে দিলে সন্তান লাভ হয়। অর্ধ আঢাক দুধ, ঘি ও অশ্বগন্ধা সন্তান দেয়; বন্ধ্যা নারী ঘি ও ভ্যোপকেশরা দিয়ে পান করলে পুত্র লাভ করে। কুশ, কাশ, উরুচৃকা, মৃলা ও গোক্ষুরক দিয়ে তৈরি ক্বাথ, দুধ ও চিনি মিশিয়ে গর্ভবতীর পেটে ব্যথা হলে উপকারী। পৃথকভাবে পাথা, আলঙ্গলি, সিংহা, ময়ূর ও কুটজা নাভি, মূত্রথলি ও যোনিতে লাগালে সহজে সন্তান প্রসব হয়। প্রসবের সময় ধাত্রী, অঞ্জন ও অভয় গুঁড়ো জল দিয়ে খেলে ঋতুসংক্রান্ত রোগ দূর হয়; লক্ষ্মণা দুধ দিয়ে খেলে বা উর্বর সময় নাকে দিলে সন্তান লাভ হয়। অর্ধ আঢাক দুধ, ঘি ও অশ্বগন্ধা সন্তান দেয়; বন্ধ্যা নারী ঘি ও ভ্যোপকেশরা দিয়ে পান করলে পুত্র লাভ করে। কুশ, কাশ, উরুচৃকা, মৃলা ও গোক্ষুরক দিয়ে তৈরি ক্বাথ, দুধ ও চিনি মিশিয়ে গর্ভবতীর পেটে ব্যথা হলে উপকারী। পৃথকভাবে পাথা, আলঙ্গলি, সিংহা, ময়ূর ও কুটজা নাভি, মূত্রথলি ও যোনিতে লাগালে সহজে সন্তান প্রসব হয়। প্রসবের সময় ধাত্রী, অঞ্জন ও অভয় গুঁড়ো জল দিয়ে খেলে ঋতুসংক্রান্ত রোগ দূর হয়; লক্ষ্মণা দুধ দিয়ে খেলে বা উর্বর সময় নাকে দিলে সন্তান লাভ হয়। অর্ধ আঢাক দুধ, ঘি ও অশ্বগন্ধা সন্তান দেয়; বন্ধ্যা নারী ঘি ও ভ্যোপকেশরা দিয়ে পান করলে পুত্র লাভ করে। কুশ, কাশ, উরুচৃকা, মৃলা ও গোক্ষুরক দিয়ে তৈরি ক্বাথ, দুধ ও চিনি মিশিয়ে গর্ভবতীর পেটে ব্যথা হলে উপকারী। পৃথকভাবে পাথা, আলঙ্গলি, সিংহা, ময়ূর ও কুটজা নাভি, মূত্রথলি ও যোনিতে লাগালে সহজে সন্তান প্রসব হয়। প্রসবের সময় ধাত্রী, অঞ্জন ও অভয় গুঁড়ো জল দিয়ে খেলে ঋতুসংক্রান্ত রোগ দূর হয়; লক্ষ্মণা দুধ দিয়ে খেলে বা উর্বর সময় নাকে দিলে সন্তান লাভ হয়। অর্ধ আঢাক দুধ, ঘি ও অশ্বগন্ধা সন্তান দেয়; বন্ধ্যা নারী ঘি ও ভ্যোপকেশরা দিয়ে পান করলে পুত্র লাভ করে। কুশ, কাশ, উরুচৃকা, মৃলা ও গোক্ষুরক দিয়ে তৈরি ক্বাথ, দুধ ও চিনি মিশিয়ে গর্ভবতীর পেটে ব্যথা হলে উপকারী। পৃথকভাবে পাথা, আলঙ্গলি, সিংহা, ময়ূর ও কুটজা নাভি, মূত্রথলি ও যোনিতে লাগালে সহজে সন্তান প্রসব হয়। প্রসবের সময় ধাত্রী, অঞ্জন ও অভয় গুঁড়ো জল দিয়ে খেলে ঋতুসংক্রান্ত রোগ দূর হয়; লক্ষ্মণা দুধ দিয়ে খেলে বা উর্বর সময় নাকে দিলে সন্তান লাভ হয়। অর্ধ আঢাক দুধ, ঘি ও অশ্বগন্ধা সন্তান দেয়; বন্ধ্যা নারী ঘি ও ভ্যোপকেশরা দিয়ে পান করলে পুত্র লাভ করে। কুশ, কাশ, উরুচৃকা, মৃলা ও গোক্ষুরক দিয়ে তৈরি ক্বাথ, দুধ ও চিনি মিশিয়ে গর্ভবতীর পেটে ব্যথা হলে উপকারী। পৃথকভাবে পাথা, আলঙ্গলি, সিংহা, ময়ূর ও কুটজা নাভি, মূত্রথলি ও যোনিতে লাগালে সহজে সন্তান প্রসব হয়। প্রসবের সময় ধাত্রী, অঞ্জন ও অভয় গুঁড়ো জল দিয়ে খেলে ঋতুসংক্রান্ত রোগ দূর হয়; লক্ষ্মণা দুধ দিয়ে খেলে বা উর্বর সময় নাকে দিলে সন্তান লাভ হয়। অর্ধ আঢাক দুধ, ঘি ও অশ্বগন্ধা সন্তান দেয়; বন্ধ্যা নারী ঘি ও ভ্যোপকেশরা দিয়ে পান করলে পুত্র লাভ করে। কুশ, কাশ, উরুচৃকা, মৃলা ও গোক্ষুরক দিয়ে তৈরি ক্বাথ, দুধ ও চিনি মিশিয়ে গর্ভবতীর পেটে ব্যথা হলে উপকারী। পৃথকভাবে পাথা, আলঙ্গলি, সিংহা, ময়ূর ও কুটজা নাভি, মূত্রথলি ও যোনিতে লাগালে সহজে সন্তান প্রসব হয়। প্রসবের সময় ধাত্রী, অঞ্জন ও অভয় গুঁড়ো জল দিয়ে খেলে ঋতুসংক্রান্ত রোগ দূর হয়; লক্ষ্মণা দুধ দিয়ে খেলে বা উর্বর সময় নাকে দিলে সন্তান লাভ হয়। অর্ধ আঢাক দুধ, ঘি ও অশ্বগন্ধা সন্তান দেয়; বন্ধ্যা নারী ঘি ও ভ্যোপকেশরা দিয়ে পান করলে পুত্র লাভ করে। কুশ, কাশ, উরুচৃকা, মৃলা ও গোক্ষুরক দিয়ে তৈরি ক্বাথ, দুধ ও চিনি মিশিয়ে গর্ভবতীর পেটে ব্যথা হলে উপকারী। পৃথকভাবে পাথা, আলঙ্গলি, সিংহা, ময়ূর ও কুটজা নাভি, মূত্রথলি ও যোনিতে লাগালে সহজে সন্তান প্রসব হয়। প্রসবের সময় ধাত্রী, অঞ্জন ও অভয় গুঁড়ো জল দিয়ে খেলে ঋতুসংক্রান্ত রোগ দূর হয়; লক্ষ্মণা দুধ দিয়ে খেলে বা উর্বর সময় নাকে দিলে সন্তান লাভ হয়। অর্ধ আঢাক দুধ, ঘি ও অশ্বগন্ধা সন্তান দেয়; বন্ধ্যা নারী ঘি ও ভ্যোপকেশরা দিয়ে পান করলে পুত্র লাভ করে। কুশ, কাশ, উরুচৃকা, মৃলা ও গোক্ষুরক দিয়ে তৈরি ক্বাথ, দুধ ও চিনি মিশিয়ে গর্ভবতীর পেটে ব্যথা হলে উপকারী। পৃথকভাবে পাথা, আলঙ্গলি, সিংহা, ময়ূর ও কুটজা নাভি, মূত্রথলি ও যোনিতে লাগালে সহজে সন্তান প্রসব হয়। প্রসবের সময় ধাত্রী, অঞ্জন ও অভয় গুঁড়ো জল দিয়ে খেলে ঋতুসংক্রান্ত রোগ দূর হয়; লক্ষ্মণা দুধ দিয়ে খেলে বা উর্বর সময় নাকে দিলে সন্তান লাভ হয়। অর্ধ আঢাক দুধ, ঘি ও অশ্বগন্ধা সন্তান দেয়; বন্ধ্যা নারী ঘি ও ভ্যোপকেশরা দিয়ে পান করলে পুত্র লাভ করে। কুশ, কাশ, উরুচৃকা, মৃলা ও গোক্ষুরক দিয়ে তৈরি ক্বাথ, দুধ ও চিনি মিশিয়ে গর্ভবতীর পেটে ব্যথা হলে উপকারী। পৃথকভাবে পাথা, আলঙ্গলি, সিংহা, ময়ূর ও কুটজা নাভি, মূত্রথলি ও যোনিতে লাগালে সহজে সন্তান প্রসব হয়। প্রসবের সময় ধাত্রী, অঞ্জন ও অভয় গুঁড়ো জল দিয়ে খেলে ঋতুসংক্রান্ত রোগ দূর হয়; লক্ষ্মণা দুধ দিয়ে খেলে বা উর্বর সময় নাকে দিলে সন্তান লাভ হয়। অর্ধ আঢাক দুধ, ঘি ও অশ্বগন্ধা সন্তান দেয়; বন্ধ্যা নারী ঘি ও ভ্যোপকেশরা দিয়ে পান করলে পুত্র লাভ করে। কুশ, কাশ, উরুচৃকা, মৃলা ও গোক্ষুরক দিয়ে তৈরি ক্বাথ, দুধ ও চিনি মিশিয়ে গর্ভবতীর পেটে ব্যথা হলে উপকারী। পৃথকভাবে পাথা, আলঙ্গলি, সিংহা, ময়ূর ও কুটজা নাভি, মূত্রথলি ও যোনিতে লাগালে সহজে সন্তান প্রসব হয়। প্রসবের সময় ধাত্রী, অঞ্জন ও অভয় গুঁড়ো জল দিয়ে খেলে ঋতুসংক্রান্ত রোগ দূর হয়; লক্ষ্মণা দুধ দিয়ে খেলে বা উর্বর সময় নাকে দিলে সন্তান লাভ হয়। অর্ধ আঢাক দুধ, ঘি ও অশ্বগন্ধা সন্তান দেয়; বন্ধ্যা নারী ঘি ও ভ্যোপকেশরা দিয়ে পান করলে পুত্র লাভ করে। কুশ, কাশ, উরুচৃকা, মৃলা ও গোক্ষুরক দিয়ে তৈরি ক্বাথ, দুধ ও চিনি মিশিয়ে গর্ভবতীর পেটে ব্যথা হলে উপকারী। পৃথকভাবে পাথা, আলঙ্গলি, সিংহা, ময়ূর ও কুটজা নাভি, মূত্রথলি ও যোনিতে লাগালে সহজে সন্তান প্রসব হয়। প্রসবের সময় ধাত্রী, অঞ্জন ও অভয় গুঁড়ো জল দিয়ে খেলে ঋতুসংক্রান্ত রোগ দূর হয়; লক্ষ্মণা দুধ দিয়ে খেলে বা উর্বর সময় নাকে দিলে সন্তান লাভ হয়। অর্ধ আঢাক দুধ, ঘি ও অশ্বগন্ধা সন্তান দেয়; বন্ধ্যা নারী ঘি ও ভ্যোপকেশরা দিয়ে পান করলে পুত্র লাভ করে। কুশ, কাশ, উরুচৃকা, মৃলা ও গোক্ষুরক দিয়ে তৈরি ক্বাথ, দুধ ও চিনি মিশিয়ে গর্ভবতীর পেটে ব্যথা হলে উপকারী। পৃথকভাবে পাথা, আলঙ্গলি, সিংহা, ময়ূর ও কুটজা নাভি, মূত্রথলি ও যোনিতে লাগালে সহজে সন্তান প্রসব হয়। প্রসবের সময় ধাত্রী, অঞ্জন ও অভয় গুঁড়ো জল দিয়ে খেলে ঋতুসংক্রান্ত রোগ দূর হয়; লক্ষ্মণা দুধ দিয়ে খেলে বা উর্বর সময় নাকে দিলে সন্তান লাভ হয়। অর্ধ আঢাক দুধ, ঘি ও অশ্বগন্ধা সন্তান দেয়; বন্ধ্যা নারী ঘি ও ভ্যোপকেশরা দিয়ে পান করলে পুত্র লাভ করে। কুশ, কাশ, উরুচৃকা, মৃলা ও গোক্ষুরক দিয়ে তৈরি ক্বাথ, দুধ ও চিনি মিশিয়ে গর্ভবতীর পেটে ব্যথা হলে উপকারী। পৃথকভাবে পাথা, আলঙ্গলি, সিংহা, ময়ূর ও কুটজা নাভি, মূত্রথলি ও যোনিতে লাগালে সহজে সন্তান প্রসব হয়। প্রসবের সময় ধাত্রী, অঞ্জন ও অভয় গুঁড়ো জল দিয়ে খেলে ঋতুসংক্রান্ত রোগ দূর হয়; লক্ষ্মণা দুধ দিয়ে খেলে বা উর্বর সময় নাকে দিলে সন্তান লাভ হয়। অর্ধ আঢাক দুধ, ঘি ও অশ্বগন্ধা সন্তান দেয়; বন্ধ্যা নারী ঘি ও ভ্যোপকেশরা দিয়ে পান করলে পুত্র লাভ করে। কুশ, কাশ, উরুচৃকা, মৃলা ও গোক্ষুরক দিয়ে তৈরি ক্বাথ, দুধ ও চিনি মিশিয়ে গর্ভবতীর পেটে ব্যথা হলে উপকারী। পৃথকভাবে পাথা, আলঙ্গলি, সিংহা, ময়ূর ও কুটজা নাভি, মূত্রথলি ও যোনিতে লাগালে সহজে সন্তান প্রসব হয়। প্রসবের সময় ধাত্রী, অঞ্জন ও অভয় গুঁড়ো জল দিয়ে খেলে ঋতুসংক্রান্ত রোগ দূর হয়; লক্ষ্মণা দুধ দিয়ে খেলে বা উর্বর সময় নাকে দিলে সন্তান লাভ হয়। অর্ধ আঢাক দুধ, ঘি ও অশ্বগন্ধা সন্তান দেয়; বন্ধ্যা নারী ঘি ও ভ্যোপকেশরা দিয়ে পান করলে পুত্র লাভ করে। কুশ, কাশ, উরুচৃকা, মৃলা ও গোক্ষুরক দিয়ে তৈরি ক্বাথ, দুধ ও চিনি মিশিয়ে গর্ভবতীর পেটে ব্যথা হলে উপকারী। পৃথকভাবে পাথা, আলঙ্গলি, সিংহা, ময়ূর ও কুটজা নাভি, মূত্রথলি ও যোনিতে লাগালে সহজে সন্তান প্রসব হয়। প্রসবের সময় ধাত্রী, অঞ্জন ও অভয় গুঁড়ো জল দিয়ে খেলে ঋতুসংক্রান্ত রোগ দূর হয়; লক্ষ্মণা দুধ দিয়ে খেলে বা উর্বর সময় নাকে দিলে সন্তান লাভ হয়। অর্ধ আঢাক দুধ, ঘি ও অশ্বগন্ধা সন্তান দেয়; বন্ধ্যা নারী ঘি ও ভ্যোপকেশরা দিয়ে পান করলে পুত্র লাভ করে। কুশ, কাশ, উরুচৃকা, মৃলা ও গোক্ষুরক দিয়ে তৈরি ক্বাথ, দুধ ও চিনি মিশিয়ে গর্ভবতীর পেটে ব্যথা হলে উপকারী। পৃথকভাবে পাথা, আলঙ্গলি, সিংহা, ময়ূর ও কুটজা নাভি, মূত্রথলি ও যোনিতে লাগালে সহজে সন্তান প্রসব হয়। প্রসবের সময় ধাত্রী, অঞ্জন ও অভয় গুঁড়ো জল দিয়ে খেলে ঋতুসংক্রান্ত রোগ দূর হয়; লক্ষ্মণা দুধ দিয়ে খেলে বা উর্বর সময় নাকে দিলে সন্তান লাভ হয়। অর্ধ আঢাক দুধ, ঘি ও অশ্বগন্ধা সন্তান দেয়; বন্ধ্যা নারী ঘি ও ভ্যোপকেশরা দিয়ে পান করলে পুত্র লাভ করে। কুশ, কাশ, উরুচৃকা, মৃলা ও গোক্ষুরক দিয়ে তৈরি ক্বাথ, দুধ ও চিনি মিশিয়ে গর্ভবতীর পেটে ব্যথা হলে উপকারী। পৃথকভাবে পাথা, আলঙ্গলি, সিংহা, ময়ূর ও কুটজা নাভি, মূত্রথলি ও যোনিতে লাগালে সহজে সন্তান প্রসব হয়। প্রসবের সময় ধাত্রী, অঞ্জন ও অভয় গুঁড়ো জল দিয়ে খেলে ঋতুসংক্রান্ত রোগ দূর হয়; লক্ষ্মণা দুধ দিয়ে খেলে বা উর্বর সময় নাকে দিলে সন্তান লাভ হয়। অর্ধ আঢাক দুধ, ঘি ও অশ্বগন্ধা সন্তান দেয়; বন্ধ্যা নারী ঘি ও ভ্যোপকেশরা দিয়ে পান করলে পুত্র লাভ করে। কুশ, কাশ, উরুচৃকা, মৃলা ও গোক্ষুরক দিয়ে তৈরি ক্বাথ, দুধ ও চিনি মিশিয়ে গর্ভবতীর পেটে ব্যথা হলে উপকারী। পৃথকভাবে পাথা, আলঙ্গলি, সিংহা, ময়ূর ও কুটজা নাভি, মূত্রথলি ও যোনিতে লাগালে সহজে সন্তান প্রসব হয়। প্রসবের সময় ধাত্রী, অঞ্জন ও অভয় গুঁড়ো জল দিয়ে খেলে ঋতুসংক্রান্ত রোগ দূর হয়; লক্ষ্মণা দুধ দিয়ে খেলে বা উর্বর সময় নাকে দিলে সন্তান লাভ হয়। অর্ধ আঢাক দুধ, ঘি ও অশ্বগন্ধা সন্তান দেয়; বন্ধ্যা নারী ঘি ও ভ্যোপকেশরা দিয়ে পান করলে পুত্র লাভ করে।